1. akhi@janatarjagoron.com : আখি আক্তার : আখি আক্তার
  2. foreign@janatarjagoron.com : আন্তর্জাতিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ডেস্ক
  3. atau@janatarjagoron.com : Mohammed Ataullah : Mohammed Ataullah
  4. mosharaf.bbadcc@gmail.com : বিনোদন ডেস্ক : বিনোদন ডেস্ক
  5. jonotarjagoron@gmail.com : Editor :
  6. labony@janatarjagoron.com : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি : ক্যাম্পাস প্রতিনিধি
  7. life@janatarjagorn.com : লাইফস্টাইল ডেস্ক : লাইফস্টাইল ডেস্ক
  8. onlinedesk2@janatarjagoron.com : অনলাইন ডেস্ক : অনলাইন ডেস্ক
  9. sohag@janatarjagoron.com : Khan Saiful Sohag : Khan Saiful Sohag
  10. info2@janatarjagoron.com : উপজেলা প্রতিনিধি : উপজেলা প্রতিনিধি
  11. mosharafrobindev@gmail.com : জেলা প্রতিনিধি : জেলা প্রতিনিধি
ছুটির দিনেও চলবে কোর্ট, ন্যায়বিচারের নতুন যাত্রা - Janatar Jagoron
শিরোনাম

ছুটির দিনেও চলবে কোর্ট, ন্যায়বিচারের নতুন যাত্রা

  • সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, ১২ মে, ২০২৫
  • ১৭৬ বার পঠিত
ছুটির দিনেও চলবে কোর্ট

ছুটি নেই ন্যায়বিচারে, শনিবারও কোর্টে জ্বলবে আলো!
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশের বিচারাঙ্গনে এক ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত নিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন—সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও চলবে পূর্ণাঙ্গ দাপ্তরিক ও বিচারিক কার্যক্রম। ১৭ মে ও ২৪ মে, দু’টি শনিবার, আদালতের উভয় বিভাগ—আপিল ও হাইকোর্ট—জ্বলজ্বল করবে আইনজীবীদের কালো কোটে, কাঁপবে কাঠগড়ার ভাষা।

প্রতিদিনের মতোই কোর্ট রুমে বাজবে ঘণ্টা, বিচারক উঠবেন আসনে, মামলা ডাক পড়বে, আইনজীবী তর্ক করবেন, আর বিচারপ্রার্থীরা অপেক্ষায় থাকবেন ন্যায়বিচারের। এমন ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্তের মূল কারণ, বিচারকাজে যে ঘাটতি বা ব্যাকলগ তৈরি হয়েছে, তা যত দ্রুত সম্ভব সামাল দেওয়া। পবিত্র ঈদুল আজহার সম্ভাব্য ছুটির আগে বিচারপ্রক্রিয়ার গতি বাড়াতে এবং জনগণের সুবিচার নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ।

এ ধরনের সিদ্ধান্ত খুবই বিরল, কারণ সাধারণত শনিবার বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টসহ সব আদালত বন্ধ থাকে। তবে বর্তমানে মামলা নিষ্পত্তির চাপ, বিচারপ্রার্থী মানুষের দীর্ঘ প্রতীক্ষা, এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকারকে প্রাধান্য দিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রশাসন এই সাহসী ও সময়োপযোগী পদক্ষেপ নিয়েছে।

দুই দিনব্যাপী এই ছুটির দিনে আদালত চালুর বিষয়টি বিচারিক প্রক্রিয়ার গতিশীলতা ফেরাতে এক নতুন দৃষ্টান্ত হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের এমন উদ্যোগে আশা করা হচ্ছে যে দীর্ঘদিন ঝুলে থাকা বহু গুরুত্বপূর্ণ মামলা এক ধাক্কায় নিষ্পত্তির পথে এগোবে।

এই সিদ্ধান্ত আইনজীবী সমাজ ও বিচারপ্রার্থী জনগণের মধ্যে আলোচনার ঝড় তুলেছে। কেউ বলছেন, ‘এই উদ্যোগ সময়ের দাবি’, আবার কেউ বলছেন, ‘নিয়ম ভেঙে নিয়ম তৈরি।’ তবে একথা মানতেই হবে—ন্যায়বিচারের স্বার্থে, মানুষের ভরসা ফিরিয়ে আনতে এমন ব্যতিক্রমী সাহসী পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল।

পোস্টটি শেয়ার করুন

এই বিভাগে আরও খবর..